সম্মানিত সুধী মন্ডলী,
এস, এস হেলথ কেয়ার এর উদ্দ্যোগে সমুদ্র অন্নেষা-২০১২ ইং সফরে বিশেষ মনমুন্ধকর আশর মাতান অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি জনাব............................ প্রধান অতিথি আমাদের মধ্যমনি বিশিষ্ট শিল্পপতি হলিড্রাগস-এর সত্বাধীকারী এস, এস হেলথ কেয়ারের সম্মানিত চেয়ারম্যান সর্বাত্বক সহযোগীতায় উদার মহত প্রান পুরুষ জনাব গিয়াস উদ্দিন খান।
আমাদের সফর সাথী ডাক্তার ঔষধ ব্যবসায়ী বিভিন্ন পেশা জীবি ভাই বন্ধুগন মা-বোন আপনাদের প্রতি জানাই ভক্তিপূর্ন প্রনতী ও আন্তরিক মোবারক বাদ। ছোট মনি কিশোর কিশরী ছেলে মেয়েদের প্রতি জানাই স্নেহ ভরা ভালবাসা ও নব-ফুটন্ত সুবাসিত লালগোলাপ শুভেচ্ছা।
দূরন্ত কিশোর কিশোর কিশোরী যেমন ছুটে বেড়ায় মনের হরষে, দিক থেকে দিগন্তে মাঠ ঘাট প্রান্তর কানন গিরি বালুকা রাশির বুকে। তেমনি আমরা ও যেন শ্রটার সৃষ্টি প্রকৃতির বিচিত্র নিলাময় রুপ পাহাড় ঝর্না ঐতিহ্য বহ ঐতিহাসিক সৃতি বিজড়ীত মন্দির মসজিদ মাজার দর্শনে সাগরের উপছে পড়া ঢেউয়ের আলিঙ্গনে মত্ব মাতুয়ারা।
এমন আনন্দ পূর্ন ভ্রমন উপহার ও চিকিৎসা জগতে জীবন বাঁচাতে, হলিড্রাগ ল্যাবরটজের তৈরি গুনগত মান সম্পুর্ন ঔষধ, প্রতিনিয়ত আমাদের হাতে সহজ লভ্যে তুলে দেওয়ার জন্য এস, এম হেলথ্ কেয়ারের অধীকারী পরিচালক আমার প্রান প্রিয় দোওয়াবর এম এ আবু তাহের সরকার। আর, এস, এম সেলিম রেজা লিটন, এরিয়া ম্যানেজার আ: মান্নান জিয়াউল হক জুয়েল, মননীত প্রতিনিধি জাবেদ, শহিদুল ভান্ডারী, ও কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ সকলের প্রতি জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
সুধীমন্ডলীঃ-
পৃথিবীর পরতে পরতে পবন হিল্লোলে পাখির কততানে সুরের র্মুছনায় বিমোহিত। যে সুরের ছুঁওয়াই ক্রন্দন রত শিশু মাতৃ কোড়ে ঘুমিয়ে পড়ে, অশান্ত প্রান নব-চেতনায় দুলে উঠে। বয়ে যায় আনন্দ জোওয়ার। আমার কন্ঠে সেই সুর নেই যা দ্বারা আপনাদের আনন্দ দিতে পারব। মনের আবেগে গান শিখি গাই, আসলে আমি বড় শিল্পী নই। আপনাদের সহযোগীতা ও আর্শীবাদ কামনা করে শুরু করছি আমাদের সঙ্গীত পরিবেশনা।
সংঙ্গীত
উদ্ধোধনী সংঙ্গীত
১। মিউজিকঃ আল্লাহ আল্লাহু তুমি জাল্লে জালালুহু-
২। সমবেত কন্ঠে প্রার্থনা সংঙ্গীত।
গানের কথাঃ অনন্ত অসীম প্রেমময় তুমি..................................................................সি।
ক। । জেসমিন নার চাম্পা
খ। শারমিন আক্তার পাদ্মা
গ। প্রেমা সরকার
ঘ। বিপাসা
ঙ। এম, এ আবু তাহের
চ। বিমোল চন্দ্র সরকার
ছ। ডাঃ নুরুজ্জামান ভান্ডারী।
৩ ডাঃ নূরুজ্জামান ভান্ডারী, কথা, সুর ও শিল্পী ঃ ডাঃ নূরুজ্জামান ভান্ডারী,
গানের কথাঃ ঔষধের গুনাগুন ........................................................................সি/এস।
ক। জেসমিন নাহার চাম্পা - দেশাত্ব বোধক সংঙ্গীত
খ। শারমিন আকতার পান্না
গ। বিপাশা
ঘ। বিমোল চন্দ্র সরকার
ঘ। প্রেমা সরকার।
৪। প্রেমা সরকার (ক) লালনগীতি ঃ ধন্য ধন্য বলিতারে...................................বি/এফ।
,, (খ) ভাওয়াইঃ বাওকুন্ঠা বাতাশ যেমন................................. বি/এফ।
৫। শারমিন আকতার পদ্মা – (ক) লালনগীতি ঃ জিজ্ঞাসিলে খোদার কথা .........................বি/এফ।
,, (খ) ভাওয়াইঃ ওরে দোলা মাটির মন বথুয়ার শাক..................সি/এস।
৬। জেসমিন নাহার চম্পা, (ক) আধুনিক গান ঃ পুবালী বাতাশের,.................................ডি/এস।
,, (খ) আধুনিক গান ঃ হায়রে ককিল কুহু কুহু গায়......................ডি/এস।
৭। এম.এ আবু তাহের, (ক) লালন গীতিঃ আল্লা বল মনরে পাখি...............................বি/এফ।
,, (খ) ভান্ডারী গানÑ বাবা আমার ........................................বি/এফ।
৮। বিপাশা - আধুনিক গান ঃ (ক) লোক সংঙ্গীত- দুই দিনের ভিসা................................ / ।
,, (খ) লোক সঙ্গীত..................................................... / ।
৯। জেমমি নাহার চম্পা নৃত্ব্য - নজরুল সংঙ্গত দুর দ্বীপ বাশিনী................................... / ।
এস, এস হেলথ কেয়ার এর উদ্দ্যোগে সমুদ্র অন্নেষা-২০১২ ইং সফরে বিশেষ মনমুন্ধকর আশর মাতান অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি জনাব............................ প্রধান অতিথি আমাদের মধ্যমনি বিশিষ্ট শিল্পপতি হলিড্রাগস-এর সত্বাধীকারী এস, এস হেলথ কেয়ারের সম্মানিত চেয়ারম্যান সর্বাত্বক সহযোগীতায় উদার মহত প্রান পুরুষ জনাব গিয়াস উদ্দিন খান।
আমাদের সফর সাথী ডাক্তার ঔষধ ব্যবসায়ী বিভিন্ন পেশা জীবি ভাই বন্ধুগন মা-বোন আপনাদের প্রতি জানাই ভক্তিপূর্ন প্রনতী ও আন্তরিক মোবারক বাদ। ছোট মনি কিশোর কিশরী ছেলে মেয়েদের প্রতি জানাই স্নেহ ভরা ভালবাসা ও নব-ফুটন্ত সুবাসিত লালগোলাপ শুভেচ্ছা।
দূরন্ত কিশোর কিশোর কিশোরী যেমন ছুটে বেড়ায় মনের হরষে, দিক থেকে দিগন্তে মাঠ ঘাট প্রান্তর কানন গিরি বালুকা রাশির বুকে। তেমনি আমরা ও যেন শ্রটার সৃষ্টি প্রকৃতির বিচিত্র নিলাময় রুপ পাহাড় ঝর্না ঐতিহ্য বহ ঐতিহাসিক সৃতি বিজড়ীত মন্দির মসজিদ মাজার দর্শনে সাগরের উপছে পড়া ঢেউয়ের আলিঙ্গনে মত্ব মাতুয়ারা।
এমন আনন্দ পূর্ন ভ্রমন উপহার ও চিকিৎসা জগতে জীবন বাঁচাতে, হলিড্রাগ ল্যাবরটজের তৈরি গুনগত মান সম্পুর্ন ঔষধ, প্রতিনিয়ত আমাদের হাতে সহজ লভ্যে তুলে দেওয়ার জন্য এস, এম হেলথ্ কেয়ারের অধীকারী পরিচালক আমার প্রান প্রিয় দোওয়াবর এম এ আবু তাহের সরকার। আর, এস, এম সেলিম রেজা লিটন, এরিয়া ম্যানেজার আ: মান্নান জিয়াউল হক জুয়েল, মননীত প্রতিনিধি জাবেদ, শহিদুল ভান্ডারী, ও কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ সকলের প্রতি জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
সুধীমন্ডলীঃ-
পৃথিবীর পরতে পরতে পবন হিল্লোলে পাখির কততানে সুরের র্মুছনায় বিমোহিত। যে সুরের ছুঁওয়াই ক্রন্দন রত শিশু মাতৃ কোড়ে ঘুমিয়ে পড়ে, অশান্ত প্রান নব-চেতনায় দুলে উঠে। বয়ে যায় আনন্দ জোওয়ার। আমার কন্ঠে সেই সুর নেই যা দ্বারা আপনাদের আনন্দ দিতে পারব। মনের আবেগে গান শিখি গাই, আসলে আমি বড় শিল্পী নই। আপনাদের সহযোগীতা ও আর্শীবাদ কামনা করে শুরু করছি আমাদের সঙ্গীত পরিবেশনা।
সংঙ্গীত
উদ্ধোধনী সংঙ্গীত
১। মিউজিকঃ আল্লাহ আল্লাহু তুমি জাল্লে জালালুহু-
২। সমবেত কন্ঠে প্রার্থনা সংঙ্গীত।
গানের কথাঃ অনন্ত অসীম প্রেমময় তুমি..................................................................সি।
ক। । জেসমিন নার চাম্পা
খ। শারমিন আক্তার পাদ্মা
গ। প্রেমা সরকার
ঘ। বিপাসা
ঙ। এম, এ আবু তাহের
চ। বিমোল চন্দ্র সরকার
ছ। ডাঃ নুরুজ্জামান ভান্ডারী।
৩ ডাঃ নূরুজ্জামান ভান্ডারী, কথা, সুর ও শিল্পী ঃ ডাঃ নূরুজ্জামান ভান্ডারী,
গানের কথাঃ ঔষধের গুনাগুন ........................................................................সি/এস।
ক। জেসমিন নাহার চাম্পা - দেশাত্ব বোধক সংঙ্গীত
খ। শারমিন আকতার পান্না
গ। বিপাশা
ঘ। বিমোল চন্দ্র সরকার
ঘ। প্রেমা সরকার।
৪। প্রেমা সরকার (ক) লালনগীতি ঃ ধন্য ধন্য বলিতারে...................................বি/এফ।
,, (খ) ভাওয়াইঃ বাওকুন্ঠা বাতাশ যেমন................................. বি/এফ।
৫। শারমিন আকতার পদ্মা – (ক) লালনগীতি ঃ জিজ্ঞাসিলে খোদার কথা .........................বি/এফ।
,, (খ) ভাওয়াইঃ ওরে দোলা মাটির মন বথুয়ার শাক..................সি/এস।
৬। জেসমিন নাহার চম্পা, (ক) আধুনিক গান ঃ পুবালী বাতাশের,.................................ডি/এস।
,, (খ) আধুনিক গান ঃ হায়রে ককিল কুহু কুহু গায়......................ডি/এস।
৭। এম.এ আবু তাহের, (ক) লালন গীতিঃ আল্লা বল মনরে পাখি...............................বি/এফ।
,, (খ) ভান্ডারী গানÑ বাবা আমার ........................................বি/এফ।
৮। বিপাশা - আধুনিক গান ঃ (ক) লোক সংঙ্গীত- দুই দিনের ভিসা................................ / ।
,, (খ) লোক সঙ্গীত..................................................... / ।
৯। জেমমি নাহার চম্পা নৃত্ব্য - নজরুল সংঙ্গত দুর দ্বীপ বাশিনী................................... / ।
মহাদেবপুরে জোয়ানপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন
মুক্ত চেতনা, মোঃ আককাস আলী, মহাদেবপুর :: নওগাঁর মহাদেবপুরে জোয়ানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্রনাথ প্রামাণিক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডাঃ জাহাঙ্গীর আনছারীর বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগের আড়ালে ৬ লক্ষ টাকা ও বিদ্যালয়ের জমির ফসল আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে গতকাল বুধবার বিদ্যালয়ের সামনে অভিভাবক ও এলাকাবাসী এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। এ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির পুত্র মাহমুদুন নবী ভুট্রো ও ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলা মানবন্ধন কর্মসূচী পান শেষে বিদ্যালয় চত্বরে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে একই দাবীতে আব্দুল মান্নান এবং মাহমুদুন নবী ভুট্রো মহাদেবপুর ইউএনও এবং জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি যোগসাজসে পকেট কমিটি তৈরী করে ৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে রিপন কুমার নামের একজন অযোগ্য ও অনভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগ দেন। একই পদে যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থী মঞ্জুর মোর্শেদ মিঠু আবেদন করলেও অবৈধভাবে অর্থ প্রাপ্তির সুযোগ না থাকায় তাকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। নতুন কম্পিউটার ক্রয়ের জন্য ৩৮ হাজার টাকার মেমো দেখানো হলেও একটি পুরনো অকেজো কম্পিউটার বিদ্যালয়টিতে রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রায় ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ৪০ ব্যান্ডিল ঢেউটিন নিলাম আয়োজন ছাড়াই মাত্র ৬ হাজার টাকায় সভাপতি নিজেই নিয়ে নিয়েছেন। এ ব্যাপারে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে জানান, বিষয়টির তদন্ত চলছে।
মুক্ত চেতনা, মিজানুর রহমান বিপ্লব, চারঘাট প্রতিনিধি :: রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় ৫ টি নিন্মমাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৫ টি মাদ্রাসা, ২টি ইবতেয়াদী মাদ্রাসা, ৩ টি মহাবিদ্যালয়, ৫ টি ভোকেশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, ৪টি কারিগরী বিদ্যালয় এবং ৩টি টেকনিক্যাল কলেজ সহ বেশ কয়েকটা শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের পাঁচ শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী দীর্ঘ ৮-১০ বছর ধরে নিরলসভাবে পাঠদান করে এলেও এমপিওভুক্ত না হওয়ার কারনে কোন প্রকার বেতনভাতা পাচ্ছে না। ফলে তারা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। জানা গেছে, চারঘাট উপজেলার শিক্ষা বিস্তারের বে-সরকারী পর্যায়ে স্কুল কলেজ ও মাদ্ররাসা সব মিলে ৭৫ টি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। শর্তাবলি পূরণের অংশ হিসাবে প্রতিষ্ঠানের নামে জমি নেওয়া,অবকাঠামো নির্মান, প্রয়োজনীয় সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি ও শিক্ষক নিয়োগসহ প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে বড় অঙ্কের অর্থ বেরিয়ে গেছে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের। ফলে কেবল টিউশন ফির ওপর নির্ভরশীল এসব প্রতিষ্ঠানের পাঁচ শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জিবন যাপন করছেন। ইতিমধ্যেই এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কিছু বন্ধ হওয়ার উপক্রম এবং কিছু বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে এলাকার শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন হুমকির মুখে পড়েছে। এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষক -কর্মচারী তাদের শেষ সম্বল বিক্রি করে ডোনেশন স্বরুপ লাখ লাখ টাকা দিয়েছেন। দীর্ঘ দিন ধরে বেতনের আশায় থেকে এখন তারা নিঃস্ব হওয়ার পথে।
অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভায়ালক্ষীপুর বুধিরহাট কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আলতাফ হোসেন, চাদঁপুর আল মদিনা কারিগরী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসলাম উদ্দিন, সরদহ পশ্চিম ঝিকরা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ মাসুদ রানা, সহ অন্যান্য নন এমপিও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা আপেক্ষ্য প্রকাশ করে বলেন, ১০ বছর ধরে বিনা বেতনে চাকরি করছে । ৬ বছর ধরে বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠান থেকে ভাল ফলাফল করেছে। অনেক আশায় ছিলাম তবুও এমপিও হয়নী। অন্য শিক্ষকদের শান্তনা দেবার ভাষাও এখন মুখে আসে না। শুধু রাওথা স্কুল এন্ড কলেজ নয় এমনি করে চারঘাটে ২৮ টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্তির অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভায়ালক্ষীপুর বুধিরহাট কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আলতাফ হোসেন, চাদঁপুর আল মদিনা কারিগরী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসলাম উদ্দিন, সরদহ পশ্চিম ঝিকরা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ মাসুদ রানা, সহ অন্যান্য নন এমপিও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা আপেক্ষ্য প্রকাশ করে বলেন, ১০ বছর ধরে বিনা বেতনে চাকরি করছে । ৬ বছর ধরে বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠান থেকে ভাল ফলাফল করেছে। অনেক আশায় ছিলাম তবুও এমপিও হয়নী। অন্য শিক্ষকদের শান্তনা দেবার ভাষাও এখন মুখে আসে না। শুধু রাওথা স্কুল এন্ড কলেজ নয় এমনি করে চারঘাটে ২৮ টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্তির অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
মুক্ত চেতনা, মিজানুর রহমান বিপ্লব, চারঘাট প্রতিনিধি :: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তিপেয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার সারা দেশের ন্যায় চারঘাট উপজেলাতে পৃথক পৃথক ভাবে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সহিত পালিত হয়েছে। দিবসটি অনুযায়ী সারাদিন ব্যাপী বঙ্গবন্ধুর ভাষন প্রচার ও চারঘাট পৌর আ”লীগের উদ্যেগে প্রথমে উপজেলা আ’লীগ কার্যালয়ে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অপর দিকে চারঘাট পৌর আ”লীগের আঞ্চলিক কার্যালয় সারদা ট্রাফিক মোড়ে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পৌর আ’লীগের ভার প্রাপ্ত সভাপতি লোকমান হোসেনে সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, জেলা আ’লীগের সদস্য মোস্তফা আলী, উপজেলা আ”লীগের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক শাহনাজুর রহমান,পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাজ উদ্দিন, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বিপ্লব ও ১নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর সাজ্জাদ হোসেন।
মুক্ত চেতনা, মোঃ আককাস আলী, নওগাঁ প্রতিনিধি :: নওগাঁর মহাদেবপুরে ক্রমেই ইটভাটার দখলে চলে যাচ্ছে ঊর্বরা কৃষি ভূমি ও বসতবাড়ি। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ অনুসারে ইটভাটা স্থাপনের ক্ষেত্রে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক হলেও এ উপজেলায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠা ইটভাটাগুলোর মধ্যে কারো পরিবেশগত ছাড়পত্র থাকলেও নেই অবস্থানগত ছাড়পত্র। অবস্থানগত ছাড়পত্রের শর্তানুযায়ী কোনক্রমেই ঊর্বরা কৃষি ভূমি, আবাসিক এলাকা, ফুল ও ফলের বাগান সংলগ্ন এবং জনসাধারণের অভিযোগ থাকতে পারে এমন কোন স্থানে ইটভাটা তৈরী করা যাবেনা। ন্যূনতম ৫০ টি বসতবাড়ি আছে এরকম এলাকার ১ কিলোমিটারের মধ্যেও কোন ইটভাটা স্থাপন করা যাবেনা। সরকারের এসব নীতিমালা না মেনে ও অবস্থানগত ছাড়পত্রকে দলিত করে এক শ্রেণীর মানুষ ঊর্বরা কৃষি ভূমি বিনষ্ট করে আবাসিক এলাকা এবং ফুল-ফলের বাগান সংলগ্ন স্থানসমূহে তৈরী করেছে ইটভাটা। ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে ঊর্বরা কৃষি ভূমি ও পরিবেশ হয়ে পড়ছে দূষিত। এভাবে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির গতি হারাতে বসা এবং পরিবেশে অশনিসংকেত সৃষ্টি হলেও সরকারের সংশ্লিষ্টরা নিরুপায় দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা সদর থেকে খাজুর পর্যন্ত মেইন রোডের উভয়পাশের বহু আবাদি জমি বিনষ্ট করে বসতবাড়ি ঘেঁষেই তৈরী হয়েছে ৪টি ইটভাটা। কুঞ্জবন বাজার সংলগ্ন হরিশ্চন্দ্রপুর, বলারামপুর ও লক্ষণপুর গ্রামের ঘনবসতি এলাকাতে তৈরী হয়েছে ৩টি ইটভাটা। এর একটি ইটভাটা স্থানীয় খাজুর ইউপি চেয়ারম্যানের। সদরের শিবগঞ্জ মোড়ের ব্যস্ততম বাজার ঘেঁষেই রয়েছে ১টি ইটভাটা। সদরের নাটশাল এলাকার বিস্তীর্ণ আবাদী মাঠের ভিতর ১টি, কুঞ্জবন-ছাতড়া সড়কের শাহাজাদপুর গ্রামে ১টি এবং গোপিনাথপুর-রামচরণপুরসহ কয়েকটি গ্রাম ঘেঁষে তৈরী হয়েছে ১টি ইটভাটা। এ কয়টি ইটভাটা গিলে নিয়েছে শতাধিক একর ঊর্বরা কৃষি ভূমি। পাশাপাশি পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপর অস্থিরভাবে বিরুপ প্রভাবের সৃষ্টি করে চলেছে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি সূত্রে জানা যায়, ইটভাটাসহ নানান স্থাপনা নির্মাণের ফলে গত এক দশকে এখানে ৪৫০ হেক্টর বা ৩ হাজার ৩৭৫ বিঘা ঊর্বরা কৃষি ভূমি কমে গেছে। সংশ্লিষ্ট ওই সূত্রমতে, এক দশক আগেও এখানে ৩০ হাজার ৮০০ হেক্টর ঊর্বরা কৃষি ভূমি ছিল। কিন্তুু সেই ভূমি বর্তমানে ৩০ হাজার ৩৫০ হেক্টরে এসে ঠেকেছে।