মুক্ত চেতনা, মোঃ আককাস আলী, নওগাঁ প্রতিনিধি :: নওগাঁর মহাদেবপুরে ক্রমেই ইটভাটার দখলে চলে যাচ্ছে ঊর্বরা কৃষি ভূমি ও বসতবাড়ি। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ অনুসারে ইটভাটা স্থাপনের ক্ষেত্রে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক হলেও এ উপজেলায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠা ইটভাটাগুলোর মধ্যে কারো পরিবেশগত ছাড়পত্র থাকলেও নেই অবস্থানগত ছাড়পত্র। অবস্থানগত ছাড়পত্রের শর্তানুযায়ী কোনক্রমেই ঊর্বরা কৃষি ভূমি, আবাসিক এলাকা, ফুল ও ফলের বাগান সংলগ্ন এবং জনসাধারণের অভিযোগ থাকতে পারে এমন কোন স্থানে ইটভাটা তৈরী করা যাবেনা। ন্যূনতম ৫০ টি বসতবাড়ি আছে এরকম এলাকার ১ কিলোমিটারের মধ্যেও কোন ইটভাটা স্থাপন করা যাবেনা। সরকারের এসব নীতিমালা না মেনে ও অবস্থানগত ছাড়পত্রকে দলিত করে এক শ্রেণীর মানুষ ঊর্বরা কৃষি ভূমি বিনষ্ট করে আবাসিক এলাকা এবং ফুল-ফলের বাগান সংলগ্ন স্থানসমূহে তৈরী করেছে ইটভাটা। ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে ঊর্বরা কৃষি ভূমি ও পরিবেশ হয়ে পড়ছে দূষিত। এভাবে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির গতি হারাতে বসা এবং পরিবেশে অশনিসংকেত সৃষ্টি হলেও সরকারের সংশ্লিষ্টরা নিরুপায় দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা সদর থেকে খাজুর পর্যন্ত মেইন রোডের উভয়পাশের বহু আবাদি জমি বিনষ্ট করে বসতবাড়ি ঘেঁষেই তৈরী হয়েছে ৪টি ইটভাটা। কুঞ্জবন বাজার সংলগ্ন হরিশ্চন্দ্রপুর, বলারামপুর ও লক্ষণপুর গ্রামের ঘনবসতি এলাকাতে তৈরী হয়েছে ৩টি ইটভাটা। এর একটি ইটভাটা স্থানীয় খাজুর ইউপি চেয়ারম্যানের। সদরের শিবগঞ্জ মোড়ের ব্যস্ততম বাজার ঘেঁষেই রয়েছে ১টি ইটভাটা। সদরের নাটশাল এলাকার বিস্তীর্ণ আবাদী মাঠের ভিতর ১টি, কুঞ্জবন-ছাতড়া সড়কের শাহাজাদপুর গ্রামে ১টি এবং গোপিনাথপুর-রামচরণপুরসহ কয়েকটি গ্রাম ঘেঁষে তৈরী হয়েছে ১টি ইটভাটা। এ কয়টি ইটভাটা গিলে নিয়েছে শতাধিক একর ঊর্বরা কৃষি ভূমি। পাশাপাশি পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপর অস্থিরভাবে বিরুপ প্রভাবের সৃষ্টি করে চলেছে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি সূত্রে জানা যায়, ইটভাটাসহ নানান স্থাপনা নির্মাণের ফলে গত এক দশকে এখানে ৪৫০ হেক্টর বা ৩ হাজার ৩৭৫ বিঘা ঊর্বরা কৃষি ভূমি কমে গেছে। সংশ্লিষ্ট ওই সূত্রমতে, এক দশক আগেও এখানে ৩০ হাজার ৮০০ হেক্টর ঊর্বরা কৃষি ভূমি ছিল। কিন্তুু সেই ভূমি বর্তমানে ৩০ হাজার ৩৫০ হেক্টরে এসে ঠেকেছে।
মুক্ত চেতনা, মোঃ আককাস আলী, নওগাঁ প্রতিনিধি :: নওগাঁর মহাদেবপুরে ক্রমেই ইটভাটার দখলে চলে যাচ্ছে ঊর্বরা কৃষি ভূমি ও বসতবাড়ি। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ অনুসারে ইটভাটা স্থাপনের ক্ষেত্রে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক হলেও এ উপজেলায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠা ইটভাটাগুলোর মধ্যে কারো পরিবেশগত ছাড়পত্র থাকলেও নেই অবস্থানগত ছাড়পত্র। অবস্থানগত ছাড়পত্রের শর্তানুযায়ী কোনক্রমেই ঊর্বরা কৃষি ভূমি, আবাসিক এলাকা, ফুল ও ফলের বাগান সংলগ্ন এবং জনসাধারণের অভিযোগ থাকতে পারে এমন কোন স্থানে ইটভাটা তৈরী করা যাবেনা। ন্যূনতম ৫০ টি বসতবাড়ি আছে এরকম এলাকার ১ কিলোমিটারের মধ্যেও কোন ইটভাটা স্থাপন করা যাবেনা। সরকারের এসব নীতিমালা না মেনে ও অবস্থানগত ছাড়পত্রকে দলিত করে এক শ্রেণীর মানুষ ঊর্বরা কৃষি ভূমি বিনষ্ট করে আবাসিক এলাকা এবং ফুল-ফলের বাগান সংলগ্ন স্থানসমূহে তৈরী করেছে ইটভাটা। ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে ঊর্বরা কৃষি ভূমি ও পরিবেশ হয়ে পড়ছে দূষিত। এভাবে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির গতি হারাতে বসা এবং পরিবেশে অশনিসংকেত সৃষ্টি হলেও সরকারের সংশ্লিষ্টরা নিরুপায় দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা সদর থেকে খাজুর পর্যন্ত মেইন রোডের উভয়পাশের বহু আবাদি জমি বিনষ্ট করে বসতবাড়ি ঘেঁষেই তৈরী হয়েছে ৪টি ইটভাটা। কুঞ্জবন বাজার সংলগ্ন হরিশ্চন্দ্রপুর, বলারামপুর ও লক্ষণপুর গ্রামের ঘনবসতি এলাকাতে তৈরী হয়েছে ৩টি ইটভাটা। এর একটি ইটভাটা স্থানীয় খাজুর ইউপি চেয়ারম্যানের। সদরের শিবগঞ্জ মোড়ের ব্যস্ততম বাজার ঘেঁষেই রয়েছে ১টি ইটভাটা। সদরের নাটশাল এলাকার বিস্তীর্ণ আবাদী মাঠের ভিতর ১টি, কুঞ্জবন-ছাতড়া সড়কের শাহাজাদপুর গ্রামে ১টি এবং গোপিনাথপুর-রামচরণপুরসহ কয়েকটি গ্রাম ঘেঁষে তৈরী হয়েছে ১টি ইটভাটা। এ কয়টি ইটভাটা গিলে নিয়েছে শতাধিক একর ঊর্বরা কৃষি ভূমি। পাশাপাশি পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপর অস্থিরভাবে বিরুপ প্রভাবের সৃষ্টি করে চলেছে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি সূত্রে জানা যায়, ইটভাটাসহ নানান স্থাপনা নির্মাণের ফলে গত এক দশকে এখানে ৪৫০ হেক্টর বা ৩ হাজার ৩৭৫ বিঘা ঊর্বরা কৃষি ভূমি কমে গেছে। সংশ্লিষ্ট ওই সূত্রমতে, এক দশক আগেও এখানে ৩০ হাজার ৮০০ হেক্টর ঊর্বরা কৃষি ভূমি ছিল। কিন্তুু সেই ভূমি বর্তমানে ৩০ হাজার ৩৫০ হেক্টরে এসে ঠেকেছে।সেই ধানে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যাবহারের ফলে যেমন ঘুঘুর প্রজনন কমে গেছে। তেমনি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে এখন প্রতিদিনই মরে যাচ্ছে ঘুঘু পাখি। বাঘা উপজেলার গ্রামাঞ্চলে সর্বত্র এক সময় মেঠে ঘুঘু, তিলি ঘুঘু, রাম ঘুঘুর দেখা মিলত। এখন সেই ঘুঘু দেখা তো দূরের কথা ঘুঘু পাখির ঘু.. ঘু.. শব্দের পরিচিত ডাকও শোনা যায়না। পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক যুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে পাখির পরিমান হ্রাস পাওয়া ও ডিম পাড়ার হার কমে যাওয়া সহ নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির পাখি বলে পরিচিত ঘুঘু পাখি। তাছাড়া পাখি শিকার ও বিক্রির কারনেও প্রতিদিন নিধন হচ্ছে এই পাখি। ঘুঘু অত্যান্ত ভিতু ও লাজুক প্রকৃতির পাখি। সাধারণত বছরে এক জোড়া ডিম পাড়ে। সেই ডিমে তা দিয়ে নিজেই বাচ্চার জন্ম দেয়। বিস্তীর্ণ জমির গাছের ডালে, আড়ালে আবডালে এরা ঘর করে ডিম থেকে বাচ্চা দিত। এখন এই পাখিটি বিলুপ্তপ্রায়। বাসা থাকলেও পাখি নেই। একসময় প্রচুর সংখ্যায় দেখা গেলেও শিকারিদের কবলে পড়ে ও ঝোপ-জঙ্গল কমে যাওয়ায় বর্তমানে এদের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। বিপন্ন হয়ে পড়েছে এই সুন্দর পাখিটি।
তবে গোলাপি-মেরুন ডানার পুরুষটি দেখতে অত্যন্ত সুন্দর। লাল ঘুঘু ছোট আকারের পাখি। লম্বায় ২৩ সেন্টিমিটার, যার মধ্যে লেজই নয় সেন্টিমিটার। স্ত্রী পাখিটি পুরুষটির চেয়ে কিছুটা ছোট। পুরুষটির মাথা নীলচে-ধূসর। পিঠ ও ডানার পালক গোলাপি-মেরুন। ডানার পেছনের অংশ কালচে। লেজের পালক ধূসর । লেজের নিচটা সাদা। বুক ও পেট হালকা গোলাপি। স্ত্রীটির রং পুরোপুরি আলাদা। দেহের ওপরের অংশ গাঢ় হলদে বাদামি ও নিচের অংশ হালকা হলদে-ধূসর। উভয়েরই গলার পেছনে একটি কালো চিকন কলার আছে। উভয়ের চোখ বাদামি, ঠোঁট কালো, পা বেগুনি-লাল বা বেগুনি-কালো। এরা ‘ক্র-উ-উ-উ-উ’ বা ‘গুউ-গুউ-গুউ’ স্বরে ডাকে। লাল ঘুঘু সারা বছর প্রজনন করতে পারে। সাধারণত গাছের পাতাওয়ালা শাখায় ঘাস ও কাঠিকুঠি দিয়ে বাসা বানায় এবং তাতে স্ত্রী পাখিটি দুটি সাদা রঙের ডিম পাড়ে। ডিম ফুটে বাচ্চা বেরোয় মাত্র ১২ দিনে। বাসা বানানো থেকে শুরু করে ডিমে তা দেওয়া ও বাচ্চাদের খাওয়ানো সবকিছুই স্ত্রী-পুরুষ একত্রে মিলেমিশে করে।